হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যের মক্তব
হাফেজ মু. নাহিদ হাসান
ধর্মীয় জ্ঞান না থাকলে ধর্ম মোতাবেক জীবন যাপন করা সম্ভব নয়।
শৈশবেই এ আলোকে সন্তানদের গড়ে তোলা না গেলে কারণে-অকারণে সে সুযোগ হয়ে ওঠে না। এমন চিন্তা থেকে একসময় ভারতবর্ষের মসজিদে মসজিদে চালু হয় মক্তব ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে প্রতিটি মুসলমান শিশুকালেই ইসলামের মৌলিক জ্ঞানগুলো অর্জন করতে পারত। ৭১১ সালে মুহাম্মদ বিন কাসিমের সিন্ধু বিজয়ের পরপরই ভারতবর্ষে মক্তব ও মাদরাসা শিক্ষার সূচনা হয়। তবে শুরুর দিকে এর কোনো প্রাতিষ্ঠানিক রূপ ছিল না। মুহাম্মদ ঘোরি দ্বাদশ শতকের শেষ দিকে ভারতবর্ষে তুর্কি সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে ১১৯১ সালে আজমিরে একটি ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। তবে ভারতবর্ষে মক্তব ও মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থার বিস্তার ঘটে মূলত মোগল আমলে। সেই শিক্ষাব্যবস্থা ব্যাপক জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য ছিল সব মহলে। ভারতবর্ষে মুসলিম শাসকদের শাসনামলে শিক্ষাব্যবস্থা ও ধর্ম অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত ছিল।
আর স্কুলে যে পদ্ধতিতে এবং যে সিলেবাসে তা পড়ানো হয়, এতে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হয় না। তবে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম এ ক্ষেত্রে প্রশংসার দাবি রাখে। বিগত ১০ বছরে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের আওতায় ২৬ হাজার প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষাকেন্দ্রের মাধ্যমে ৪৬ লাখ ৮০ হাজার শিশুকে প্রাক-প্রাথমিক ও নৈতিকতা শিক্ষা, ১৭ হাজার ৪০০টি কোরআন শিক্ষাকেন্দ্রের মাধ্যমে ৩১ লাখ ২৯ হাজার কোমলমতি শিক্ষার্থীকে পবিত্র কোরআন শিক্ষা এবং ৭৬৮টি বয়স্ক শিক্ষাকেন্দ্রের মাধ্যমে এক লাখ ৬৯ হাজার বয়স্ক ব্যক্তিকে সাক্ষরতা ও ধর্মীয় শিক্ষা প্রদান করা হয়েছে।
হাফেজ মু. নাহিদ হাসান
ধর্মীয় জ্ঞান না থাকলে ধর্ম মোতাবেক জীবন যাপন করা সম্ভব নয়।
শৈশবেই এ আলোকে সন্তানদের গড়ে তোলা না গেলে কারণে-অকারণে সে সুযোগ হয়ে ওঠে না। এমন চিন্তা থেকে একসময় ভারতবর্ষের মসজিদে মসজিদে চালু হয় মক্তব ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে প্রতিটি মুসলমান শিশুকালেই ইসলামের মৌলিক জ্ঞানগুলো অর্জন করতে পারত। ৭১১ সালে মুহাম্মদ বিন কাসিমের সিন্ধু বিজয়ের পরপরই ভারতবর্ষে মক্তব ও মাদরাসা শিক্ষার সূচনা হয়। তবে শুরুর দিকে এর কোনো প্রাতিষ্ঠানিক রূপ ছিল না। মুহাম্মদ ঘোরি দ্বাদশ শতকের শেষ দিকে ভারতবর্ষে তুর্কি সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে ১১৯১ সালে আজমিরে একটি ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। তবে ভারতবর্ষে মক্তব ও মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থার বিস্তার ঘটে মূলত মোগল আমলে। সেই শিক্ষাব্যবস্থা ব্যাপক জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য ছিল সব মহলে। ভারতবর্ষে মুসলিম শাসকদের শাসনামলে শিক্ষাব্যবস্থা ও ধর্ম অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত ছিল।
আর স্কুলে যে পদ্ধতিতে এবং যে সিলেবাসে তা পড়ানো হয়, এতে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হয় না। তবে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম এ ক্ষেত্রে প্রশংসার দাবি রাখে। বিগত ১০ বছরে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের আওতায় ২৬ হাজার প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষাকেন্দ্রের মাধ্যমে ৪৬ লাখ ৮০ হাজার শিশুকে প্রাক-প্রাথমিক ও নৈতিকতা শিক্ষা, ১৭ হাজার ৪০০টি কোরআন শিক্ষাকেন্দ্রের মাধ্যমে ৩১ লাখ ২৯ হাজার কোমলমতি শিক্ষার্থীকে পবিত্র কোরআন শিক্ষা এবং ৭৬৮টি বয়স্ক শিক্ষাকেন্দ্রের মাধ্যমে এক লাখ ৬৯ হাজার বয়স্ক ব্যক্তিকে সাক্ষরতা ও ধর্মীয় শিক্ষা প্রদান করা হয়েছে।
হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যের মক্তব -হাফেজ মু. নাহিদ হাসান
Reviewed by pencil71
on
September 05, 2019
Rating:
Reviewed by pencil71
on
September 05, 2019
Rating:

hmm vai right
ReplyDeleteশিক্ষাব্যবস্থার অতিআধুনিকতার ফলে ধর্মীয় শিক্ষার এই অবস্থা । আর সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে বিজাতীয় সংস্কৃতি ।।।
ReplyDelete