Technology

test

ফরিদ সাহেব তার সপ্তম শ্রেণি পড়ুয়া ছেলের জন্য শিক্ষক খুঁজছেন// pencil71


এখন পর্যন্ত মোট নয় জনকে তিনি ইন্টারভিউতে ডেকেছেন। তার ভেতর পাঁচ জনকে তার একেবারেই পছন্দ হয়নি। না আছে তাদের পড়াশুনার নলেজ, না তাদের চারিত্রিক গুণাবলী সম্পর্কে কোন ভালো ধারণা পাওয়া গেছে। তাই এই পাঁচ জনকে তিনি সরাসরি “না” বলে দিয়েছেন।


আর যাদের পছন্দ হয়েছে সেই চার জনকেও তিনি “না” বলে দিয়েছেন।


কিন্তু পছন্দ এবং অপছন্দের মাঝে একটা পার্থক্য অবশ্য তিনি তৈরি করেছেন; যাদের পছন্দ হয়নি তাদের খালি হাতে “না” বলে দিয়েছেন। কিন্তু যাদের পছন্দ হয়েছে তাদের যাতায়াত বাবদ একটি খাম হাতে দিয়ে বলেছেন, “এখানে ৫০০ টাকা আছে। আপনার যাতায়াত খরচ হিসাবে আমার পক্ষ থেকে ছোট একটি উপহার। সিএনজি অটোরিকশায় আসা-যাওয়া করলে আপনার তো ৫০০ টাকা খরচ হয়েই যাবে। এখনকার সময়ে ৫০০ টাকা এমন আর কি টাকা, বলুন।“


অনেকে “না না” করলেও তিনি জোর করে খামটি তাদের পকেটে ঢুকিয়ে দিয়েছেন। ছেলেগুলো যতই “না না” বলুক, তারা অনেক খুশি হবে বলে ফরিদ সাহেব নিশ্চিতভাবেই বিশ্বাস করেন।


কিন্তু এর বাইরেও ফরিদ সাহেব অনেক বড় এক বুদ্ধি এঁটে সেটাকে খাম বন্ধি করে তাদের হাতে ধরিয়ে দিয়েছিলেন।  


ফরিদ সাহেব মনে করেন, একজন শিক্ষকের দায়িত্ব শুধুমাত্র ছাত্র-ছাত্রীদের বিষয় ভিত্তিক শিক্ষা প্রদান করাই নয়। ছাত্র-ছাত্রীদের মূল্যবোধ শিক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রেও শিক্ষকের অনেক বড় একটি দায়িত্ব আছে।


ওনার স্পষ্ট মনে আছে, উনি যখন ছোট ছিলেন বাড়িতে একজন জাইগির মাস্টার ছিলেন; নাম ছিল রেজাউল স্যার। হেন শিক্ষা নেই যা তিনি তাদের চার ভাই-বোনকে শেখান নি। বড়দের প্রতি আদব-কায়দা, ছোটদের প্রতি স্নেহ-ভালোবাসা, কিভাবে ভদ্রভাবে কথা বলতে হয়, নৈতিকতা শিক্ষা, সামাজিক আচার-আচারন, এমনকি ধর্মীয় শিক্ষার ব্যাপারেও তিনি অনেক কিছু শিখিয়েছিলেন; সাথে বিষয় ভিত্তিক শিক্ষা তো ছিলই।


চার ভাই-বোনেরই প্রিয় ছিলেন রেজাউল স্যার। শীতের দিনে স্যারের গোসলের পানি গরম করে দেওয়া, স্যারের ওযুর পানি ঢেলে দেওয়া, তার রুমে খাবার পৌছে দেওয়া; এসব নিয়ে যেন এক ধরনের প্রতিযোগিতা চলত চার ভাই-বোনের মাঝে। 


একবার গ্রামের সবাই মিলে পিকনিক করার সিদ্ধান্ত নিল। স্যারকে করা হল পিকনিক কমিটির হেড। স্যারের নেতৃত্বে ফরিদ সাহেবরা সবাই ডাহুক শিকারে বের হয়েছিলেন। সে কি মজা হয়েছিল সেদিন! এখনও সেই ডাহুক শিকার থেকে শুরু করে পিকনিকের রান্না-বান্না, তাদের বয়সি ছেলে-মেয়েদের হৈ-হুল্লোড়, খাওয়া-দাওয়া সব কিছু যেন ফরিদ সাহেবের চোখের সামনে ভেসে ওঠে।


ফরিদ সাহেব গাছের পরিচর্যা করা, গাছের কলম করা শিখেছিলেন রেজাউল স্যারের কাছ থেকেই। তাদের ঘরের সামনে স্যার একটি ফুলের বাগান করেছিলেন। প্রতিদিন সেই বাগানের পরিচর্যার সঙ্গি হতেন ফরিদ সাহেব। সেই শিক্ষা তিনি এখনও কাজে লাগাচ্ছেন। বিশাল অট্টালিকার ছাঁদে তিনি এক বাগান গড়ে তুলেছেন। তার ছেলে-মেয়েরা অবাক হয়ে বলে ওঠে, “বাবা, কোথায় শিখেছ তুমি এই সব কাজ।“


একদিন হঠাৎই ফরিদ সাহেবের বাবা বিনা নোটিশে রেজাউল স্যারকে বিছানা-বেডিংসহ বাড়ি থেকে বের করে দিইয়েছিলেন। জীবনের কিছু কষ্ট আছে যা কখনও ভোলা তো যায়ই না; ম্লান কিংবা অনুজ্জ্বল ও হয়ে যায় না। রেজাউল স্যারের চলে যাওয়া সেরকমই একটি কষ্টের স্মৃতি হয়ে আটকে আছে ফরিদ সাহেবের মস্তিষ্কে। 


তিনি এখনও মাঝে মাঝে চোখ বন্ধ করলে যেন দেখতে পান, রেজাউল স্যারের শেষ বারের মতো পেছন ফিরে তাকানো; তাদের ভাই-বোনদের দিকে ছলছল চোখে তাকিয়ে থাকা। তারপর শার্টের হাতায় চোখ মুছে উল্টো ঘুরে রেজাউল স্যারের চলে যাওয়া; আর একবারও স্যার ফিরে তাকান নি।


ফরিদ সাহেব খামের ভেতর যে বুদ্ধি এঁটে দিয়েছিলেন, সেটা এরকম– তিনি প্রতিটি খামে ৫০০ টাকার পরিবর্তে ১,০০০ টাকা করে দিয়ে দিয়েছিলেন; ৫০০ টাকার দু’টি করে নোট। 


এবং তিনি যখন যাতায়াত খরচ বাবদ টাকা দিয়েছেন, তখন খুব সতর্কতার সাথে প্রত্যেককে তিন বার করে ৫০০ টাকার কথা উল্লেখ করেছেন। অতএব, ৫০০ টাকার পরিবর্তে যে ভুলে ১,০০০ টাকা চলে গিয়েছে, এটা না বোঝার কোন কারণ নেই বলেই তিনি মনে করেন।


তিনি জানেন কেউই হয়তো ৫০০ টাকা ফেরত দিতে ফিরে আসবে না। সবাই চিন্তা করবে “যেহেতু ওখানে না করে দিয়েছে, শুধু শুধু ৫০০ টাকা ফেরত দিতে যাবার কি দরকার আছে। উনি হয়তো ভুল করে দিয়ে ফেলেছেন।“ 


কিন্তু উনি ওনার সন্তানের জন্য এমন একজন শিক্ষকই চান যিনি সত্যিকারের আদর্শবান; যিনি একদিন ৫০০ টাকা ফেরত নিয়ে এসে বলবেন, “আপনি আমাকে ভুলে ৫০০ টাকা বেশি দিয়ে ফেলেছেন”। তাতে যদি তাকে আরও এরকম অনেক ৫০০ টাকা খরচ করতে হয়, করবেন। যদি তাতে অনেকটা সময় চলে যায়, তিনি সময় দিবেন।


এভাবে তিন মাস কেটে যাবার পরে হঠাৎই একজন ৫০০ টাকা নিয়ে ফেরত এল। ফরিদ সাহেবের হাতে টাকাটি তুলে দিয়ে সে বলল, “আপনি ভুলে আমকে ১,০০০ টাকা দিয়ে দিয়েছিলেন“। ফরিদ সাহেবের যেন বিস্ময়ের সীমা রইল না। এখনও এরকম মানুষ আছে এদেশে! তার বিস্ময়ের ভাব যেন কাটছিলই না। 


ছেলেটি হ্যাঙলা-পাতলা ধরনের, চোখে চশমা পরে। এই বয়সের ছেলেরা ইদানিং জিন্স প্যান্টই পরে সাধারণ


ত, কিন্তু এই ছেলেটা অনেকটা জলপাই রঙের একটি ফরমাল প্যান্ট পরে আছে, সাথে পরেছে ডোরা কাটা আকাশি রঙের একটি ফুলহাতা শার্ট। কিছু ছেলে আছে যাদের শারীরিক গড়ন এমন যে তারা যে জামা-কাপড়ই পরুক না কেন তাদের শরীরের তুলনায় সেগুলোকে অনেক ঢোলা মনে হয়; চোখের চশমাটা চেহারার তুলনায় অনেক বড় মনে হয়। ছেলেটি সেই রকমই একটি ছেলে। ছেলেটির নামও অনেকটা সেকেলে- জয়নাল আবেদিন।


জয়নাল সম্পর্কে নতুন করে আর জানার বা পরখ করার কিছু বাকী ছিল না। তাই ফরিদ সাহেব সরাসরি জিজ্ঞেস করলেন মাস প্রতি তাকে কতো টাকা দিতে হবে। জয়নাল যে অংকটি বলল, ফরিদ সাহেব তার প্রায় দিগুণ টাকা দেবার কথা বলে সাথে যোগ করলেন, আপনাকে অতিরিক্ত টাকাটি দেওয়া হচ্ছে আমার ছেলেকে মূল্যবোধ শেখাবার জন্য। আপনি শুধু বইয়ের পড়াই পড়াবেন না; একজন ভালো মানুষ হয়ে গড়ে উঠতে যা যা তার শেখা প্রয়োজন সবই তাকে শেখাবেন। আর হ্যাঁ, আমার বাসায় বাইরে থেকে যারা আসে তাদের সবার ন্যাশনাল আই,ডি কার্ডের একটি কপি আমি আমার কাছে জমা রাখি।


পরিক্ষার প্রশ্নে সব কমন পরলে যেমন মনের ভেতরটা অনেক খুশি খুশি লাগে, জয়নালেরও সেরকম মনে হল। এমনিতেই তার টাকার খুব প্রয়োজন ছিল, তার উপর এমন একটি কাজের জন্য তাকে অতিরিক্ত টাকা দেওয়া হচ্ছে যেটা তার জন্য বেশ সহজ বিষয় বলে মনে হল। সাথে ফরিদ সাহেবের জন্যও খুব শ্রদ্ধা কাজ করছিল। মূল্যবোধ শেখাবার জন্য এই যুগে কেউ টাকা খরচ করেন, এমনটি বিরল।


প্রায় সাত মাস হল জয়নাল পড়াচ্ছে। ফরিদ সাহেব লক্ষ করেছেন, তার ছেলে স্কুলের পরীক্ষায় যেমন ভালো করছে, তার মূল্যবোধ সম্পর্কিত গুণাবলিও অনেক বেড়েছে। তিনি ভাবলেন- 


জয়নালের দ্বিতীয় পরিক্ষা নেবার সময় হয়ে গেছে।


একদিন তিনি জয়নালের হাতে এক লক্ষ টাকা আর ব্যাংক ডিটেইল দিয়ে বললেন, “কিছু যদি মনে না কর, এই টাকাটা কাল এই অ্যাকাউন্টে একটু জমা দিয়ে দিও। আমি খুব ঝামেলায় থাকবো, নয়তো আমিই জমা দেবার ব্যবস্থা করতাম। আর হ্যাঁ, জমা দেওয়া হয়ে গেলে আমাকে ফোন দিয়ে একটু জানিয়ে দিও“। জয়নাল “হ্যাঁ” সূচক মাথা নেড়ে রাজি হয়ে গেল।


আর এই পরীক্ষায় জয়নাল ফেল করে বসল।


টাকা জমা দিয়ে তার ফোনে জানাবার কথা থাকলেও, সে জানায়নি। উপরন্তু জয়নালকে অনেক বার ফোন করা সত্ত্বেও সে ফোন ধরেনি। ফরিদ সাহেব ভাবলেন, হয়তো কোন সমস্যা হয়ে থাকতে পারে। তিনি অপেক্ষা করতে থাকলেন। ভাবলেন, সন্ধ্যায় হয়তো পড়াতে আসবে। সেই সন্ধ্যায় জয়নাল পড়াতেও আসেনি।


একে একে আট দিন পার হয়ে গেল। ফরিদ সাহেব ভাবলেন, এবার ব্যাবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। তিনি যখন পুলিশকে ফোন দিতে যাবেন, ঠিক তখনই জয়নাল এসে হাজির হল। জয়নালের কোথায় যেন এক বড় পরিবর্তন লক্ষ্য করলেন ফরিদ সাহেব। তিনি খুব ঠাণ্ডা মাথায় জয়নালকে প্রশ্ন করা শুরু করলেন-


-তুমি এতদিন আসো নি কেন? আর ব্যাংকেও তো টাকাটা জমা দাওনি?!

-(টাকাটা ফরিদ সাহেবের হাতে দিয়ে জয়নাল শুরু করল) আমি ইচ্ছা করেই আসিনি। আপনি আমার উপর যে পরীক্ষা নিয়েছেন তাতে আমি ইচ্ছা করেই ফেল করতে চেয়েছিলাম। আপনার কাছে আমার একটা প্রশ্ন আছে।

-বল।

-আপনি কি আমার সততার পরীক্ষা নিতে চান?

-সত্যি বলতে, হ্যাঁ। সেটার জন্যই তোমার কাছে টাকাটা দিয়েছিলাম।

-আপনি আপনার সন্তানকে সৎ-আদর্শবান হিসাবে দেখতে চান, আমাকে সৎ দেখতে চান। আপনি সৎ তো?

-কি বলতে চাও তুমি? বেয়াদবের মতো কথা বলছ কেন?!

-আপনি সরকারী মাঝারি গোছের চাকরি করে ঢাকাতে ছয়টা বাড়ির মালিক হয়েছেন কিভাবে? গাজীপুর আর আপনার গ্রামের বাড়ি মিলিয়ে প্রায় ৮০ একররের উপর জমির মালিক হয়েছেন কিভাবে?

-(ফরিদ সাহেব প্রচণ্ড রেগে গেলেন) এই বেয়াদবের বাচ্চা, এত বড় সাহস তোর। আমাকে চিনিস তুই?!

-আপনি একটা চোর। আপনাকে চিনলেই কি আর না চিনলেই কি?

-এই কু… বাচ্চা!! এত বড় সাহস তোর! গুলি করে মাথার খুলি উড়িয়ে দেব। তুই চিনিস আমাকে??!


ফরিদ সাহেব দৌড়ে ঘরের ভেতরে গেলেন এবং প্রায় সাথে সাথে তার পিস্তল নিয়ে ফিরে এলেন। পিস্তল জয়নালের দিকে তাক করে ধরে বলেলেন-

-এই, কি বলতে চাস তুই?

-আমি বলতে চাই, আপনি একটা চোর। আপনি একজন হিপোক্রেট। আপনি চান আপনার সন্তান যেন মূল্যবোধে শিক্ষিত হয়। আপনার কোন মূল্যবোধ আছে? আপনি জানেন আমি কেন আট দিন পরে এসেছি? কারণ এই আট দিনে আমি আমার সাহস বাড়িয়েছি। আমি জানতাম আপনি আমার সাথে খুব খারাপ কিছুই করবেন; তারপরেও যেন আমি আপনার চোখে চোখে রেখে সত্য কথাগুলো বলতে পারি সেই সাহস জুগিয়েছি।

-(ফরিদ সাহেব পুলিশকে ফোন দিতে দিতে) তুই আমার ভদ্র ব্যাবহার দেখেছিস; খারাপটা দেখিস নি। দশটা মিনিট তুই শুধু এখানে দাঁড়িয়ে থাক।


এই প্রথমবারের মতো ফরিদ সাহেবের বাড়িতে পুলিশ এসেছে। জয়নালের কোন প্রকার কোন বক্তব্য না নিয়ে শুধুমাত্র ফরিদ সাহেবের বক্তব্যের ভিত্তিতে এক লক্ষ টাকা চুরির দায়ে জয়নাল কে এরেস্ট করা হল। জয়নালের যেন কোন প্রকার কোন ভ্রূক্ষেপ নেই; যেন সে আগেই জানতো এমনটা হবে; এটার জন্য সে প্রস্তুত ছিল।


আশপাশের সকল বাড়ির লোকজন বারান্দা দিয়ে তাকিয়ে আছে। হাত পেছনে নিয়ে হাতকড়া পরিয়ে একটি রোগা-শুকনা ছেলেকে পুলিশের গাড়িতে তোলা হচ্ছে। গাড়িতে ওঠার ঠিক আগ


ে জয়নাল থমকে দাঁড়াল। একবার ফরিদ সাহেবের ফ্ল্যাটের দিকে মাথা উঁচু করে তাকাল। দেখল তার ছাত্র কাঁদতে কাঁদতে চিৎকার করে বলছে, “স্যারকে ছেড়ে দাও। স্যারকে ছেড়ে দাও”। জয়নাল তার পুরো শরীরের সব শক্তি গলায় এনে জড়ো করল। তারপর সজোরে চিৎকার করে তার ছাত্রকে বলল-


“তোমার বাবা একজন চোর। তোমার বাবা একজন চোর।“


ফরিদ সাহেব যেন তার সন্তানের আচরণে তার ছোট বেলার রেজাউল স্যারের চলে যাবার সেই দৃশ্যই পুনরায় দেখতে পেলেন। পুলিশকে দেবার জন্য জয়নালের ন্যাশনাল আই, ডি কার্ডের কপিটি তার হাতেই রয়ে গিয়েছিল। কি মনে করে যেন তিনি সেটার দিকে তাকালেন, সেখানে জয়নালের নামের পরে পিতার নামের সামনে লেখা আছে, “কাজী রেজাউল করিম”। হুবহু ফরিদ সাহেবের রেজাউল স্যারের নাম।


ফরিদ সাহেব শিউড়ে উঠলেন। রেজাউল স্যারকে কেন তার বাবা বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিলেন, কখন তিনি তার বাবার কাছে জানতে চাননি। যেন রেজাউল স্যারের চলে যাবার প্রতিচ্ছবিই আরেকবার নতুন করে ফুটে উঠেছে তার সন্তানের চোখে! 


আমাদের সমাজ বড়ই অদ্ভুত! এখানে যে যত বড় চোর, তার সম্মান তত বেশি; ক্ষমতা তত বেশি। একদিন জয়নালের মতো শুকনা-পাতলা, জীর্ণ-শীর্ণ, চেহারার চেয়ে বড় চশমা পরা যুবকেরা বুকে সাহস যোগাবে; শরীরের সব শক্তি কণ্ঠে জড়ো করে বন্দুকের গুলির চেয়েও শক্তিশালী কথা ছুড়ে দিবে সমাজের দিকে। একদিন হয়তো সেই কথার জোড়েই সমাজ পরিবর্তিত হবে; সত্য এগিয়ে যাবে। 



ফরিদ সাহেব তার সপ্তম শ্রেণি পড়ুয়া ছেলের জন্য শিক্ষক খুঁজছেন// pencil71 ফরিদ সাহেব তার সপ্তম শ্রেণি পড়ুয়া ছেলের জন্য শিক্ষক খুঁজছেন// pencil71 Reviewed by pencil71 on November 27, 2020 Rating: 5

No comments:

Powered by Blogger.