কালকিনিতে সাবেক ও বর্তমান চেয়ারম্যানের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ২০!!
মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের বর্তমান ও সাবেক চেয়ারম্যানের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। বুধবার সকালে দফায় দফায় ইউনিয়নের রায়পুর এলাকায় সংঘর্ষের এই ঘটনা ঘটে। আহতের মধ্যে দুজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
মাদারীপুর সদর হাসপাতাল সূত্রে আহতদের মধ্যে তাঁরা হলেন, উপজেলার লক্ষ্মীপুর এলাকার আবদুল রশিদ সরদার (৬০), রওসয়ারা বেগম (২৫), ফিরোজ সরদার (৩২), ইকবাল সরদার (৪০) ও তাঁর ভাই ইলিয়াস সরদার (৩৫) , আলমগীর সরদার (৪০) ও তাঁর ভাই জাকির সরদার (৫৫), রাহিমা বেগম (৩৫), জসিম সরদার (৬০) ও তাঁর দুই ভাই ফরহাদ সরদার (৫৫)-জামাল সরদার (৪০), রাসেল সরদার (১৮) ও তাঁর ভাই রাজীব সরদার (১২) এবং একই এলাকার মোশারফ সরদার (৩৫)।
ফজলুর বেপারীর সমর্থক আবদুল লতিব সরদারের নির্দেশে এলাকায় হাঙ্গামা করছে। মু.বারেক সরদার ও মু.জসিম সরদারের বাড়িঘর ভাঙচুর লুটপাট করছে।
লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তোফাজ্জেল হোসেন গেন্দু কাজী বলেন, ‘খামাখা ফজলুর লোকজন এলাকায় হাঙ্গামা করছে। বাড়িঘর ভাঙচুর লুটপাট করছে। এর আগে গত সোমবার তারা আমাদের সন্ত্রাসী হামলা করেছিল। এখন আবারও হামলা করল। ফজলুর নির্দেশে তাঁর লোকজন আমাদের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা করেছে। হামলায় আমাদের লোকজনই বেশি আহত হয়।’
লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ফজলুর হক বেপারী বলেন, ‘গেন্দু এখন নব্য আওয়ামী লীগ করেন। তিনি এলাকায় প্রভাব বিস্তারের জন্য আমাদের লোকজনের ওপর হামলা করেন।
মাদারীপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মকর্তা ইমরানুর রহমান সনেট বলেন, ‘আহত অন্তত ২০ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যরা হাসপাতালে ভর্তি আছেন ও আশঙ্কামুক্ত। আমরা সাধ্য মতো সেবা দিয়ে যাচ্ছি।
মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বদরুল আলম মোল্লা বলেন, ‘লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান গেন্দু কাজীর সঙ্গে সাবেক চেয়ারম্যান ফজলুর হকের বিরোধ ছিল। বারেকসহ কয়েকজন ফজলুর পক্ষ ছেড়ে গেন্দুর কাজীর পক্ষে যোগ দেয়। এই কারণেই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ঘটনাস্থল থেকে আমরা দুজনকে আটক করেছি।
মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের বর্তমান ও সাবেক চেয়ারম্যানের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। বুধবার সকালে দফায় দফায় ইউনিয়নের রায়পুর এলাকায় সংঘর্ষের এই ঘটনা ঘটে। আহতের মধ্যে দুজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
মাদারীপুর সদর হাসপাতাল সূত্রে আহতদের মধ্যে তাঁরা হলেন, উপজেলার লক্ষ্মীপুর এলাকার আবদুল রশিদ সরদার (৬০), রওসয়ারা বেগম (২৫), ফিরোজ সরদার (৩২), ইকবাল সরদার (৪০) ও তাঁর ভাই ইলিয়াস সরদার (৩৫) , আলমগীর সরদার (৪০) ও তাঁর ভাই জাকির সরদার (৫৫), রাহিমা বেগম (৩৫), জসিম সরদার (৬০) ও তাঁর দুই ভাই ফরহাদ সরদার (৫৫)-জামাল সরদার (৪০), রাসেল সরদার (১৮) ও তাঁর ভাই রাজীব সরদার (১২) এবং একই এলাকার মোশারফ সরদার (৩৫)।
লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তোফাজ্জেল হোসেন গেন্দু কাজী বলেন, ‘খামাখা ফজলুর লোকজন এলাকায় হাঙ্গামা করছে। বাড়িঘর ভাঙচুর লুটপাট করছে। এর আগে গত সোমবার তারা আমাদের সন্ত্রাসী হামলা করেছিল। এখন আবারও হামলা করল। ফজলুর নির্দেশে তাঁর লোকজন আমাদের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা করেছে। হামলায় আমাদের লোকজনই বেশি আহত হয়।’
লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ফজলুর হক বেপারী বলেন, ‘গেন্দু এখন নব্য আওয়ামী লীগ করেন। তিনি এলাকায় প্রভাব বিস্তারের জন্য আমাদের লোকজনের ওপর হামলা করেন।
মাদারীপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মকর্তা ইমরানুর রহমান সনেট বলেন, ‘আহত অন্তত ২০ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যরা হাসপাতালে ভর্তি আছেন ও আশঙ্কামুক্ত। আমরা সাধ্য মতো সেবা দিয়ে যাচ্ছি।
মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বদরুল আলম মোল্লা বলেন, ‘লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান গেন্দু কাজীর সঙ্গে সাবেক চেয়ারম্যান ফজলুর হকের বিরোধ ছিল। বারেকসহ কয়েকজন ফজলুর পক্ষ ছেড়ে গেন্দুর কাজীর পক্ষে যোগ দেয়। এই কারণেই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ঘটনাস্থল থেকে আমরা দুজনকে আটক করেছি।
কালকিনিতে সাবেক ও বর্তমান চেয়ারম্যানের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ২০জন
Reviewed by pencil71
on
August 22, 2019
Rating:
Reviewed by pencil71
on
August 22, 2019
Rating:



No comments: